মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালো,
দোলে মন দোলে অকারণ হরষে।
হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে
রসের ধারা বরষে॥
তাহারে দেখি না যে দেখি না,
শুধু মনে মনে ক্ষণে ক্ষণে ওই শোনা যায়
বাজে অলখিততারি চরণে
রুনুরুনু রুনুরুনু নূপুরধ্বনি॥
গোপন স্বপনে ছাইল
অপরশ আঁচলের নব নীলিমা।
উড়ে যায় বাদলের এই বাতাসে
তার ছায়াময় এলো কেশ আকাশে।
সে যে মন মোর দিল আকুলি
জল-ভেজা কেতকীর দূর সুবাসে॥
Saturday, May 13, 2017
Mor Vabonare Ki Haway | প্রিয় গানের কথা ( রবীন্দ্রসংগীত)
Eki Labonno Purno Pran | প্রিয় গানের কথা ০২ (রবীন্দ্র সঙ্গীত)
একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে,
আনন্দবসন্তসমাগমে॥
বিকশিত প্রীতিকুসুম হে
পুলকিত চিতকাননে॥
জীবনলতা অবনতা তব চরণে।
হরষগীত উচ্ছ্বসিত হে
কিরণমগন গগনে॥
Bodhu Kon Alo Laglo Chokhe | প্রিয় গানের কথা (রবীন্দ্র সঙ্গীত)
বঁধু, কোন আলো লাগল চোখে!
বুঝি দীপ্তিরূপে ছিলে সূর্যলোকে!
ছিল মন তোমারি প্রতীক্ষা করি
যুগে যুগে দিন রাত্রি ধরি,
ছিল মর্মবেদনাঘন অন্ধকারে,
জন্ম-জনম গেল বিরহশোকে।
অস্ফুটমঞ্জরী কুঞ্জবনে,
সংগীতশূন্য বিষণ্ন মনে
সঙ্গীরিক্ত চিরদুঃখরাতি
পোহাব কি নির্জনে শয়ন পাতি!
সুন্দর হে, সুন্দর হে,
বরমাল্যখানি তব আনো বহে,
অবগুণ্ঠনছায়া ঘুচায়ে দিয়ে
হেরো লজ্জিত স্মিতমুখ শুভ আলোকে॥
গুণীজন ঠিক বলে, আমার মাথায় ঢুকে না
পন্ডিত নাগ মহাশয় বলেছিেলন,
"যতই করিবে গুপ্ত
ততই হইবে পুক্ত
অার যত করিবে ব্যক্ত
ততই হইবে ত্যক্ত"
ভালবাসায় কথটা যায় না। ভালবাসা মুখ বন্ধ করে হয় না। অার ব্যক্তটা মনের অজান্তেই হয়ে যায়। সেই ব্যক্ত হওয়া অাবেগগুলো কে কেউ যখন তুচ্ছ -তাচ্ছিল্য করে তখন ভালবাসার প্রতি সম্মান থাকবে কি করে। ভাবলেই কেমন জানি লাগে, যখন অাপনার ভালবাসার মানুষ, অাপনার অাবেগগুলো নিয়ে নিষ্টুর ভাবে ফুটবল খেলে নিজেকে মেসি অার নেইমার ভাবে তখন কেমন লাগবে। এ জন্যই হয়তো রবিন্দ্রনাথ বলেছিলেন, " পারলে মদ খা, গাজা খা, নিজের কলিজাটা জ্বালিেয় ফেল। কিন্তু নিজের মনটাকে পচাঁশ না"। অার যখন নিজের মন, ভালবাসা ব্যক্ত করতে গিয়ে ত্যক্তাতায় ভরে ওঠে তখন বেচেঁ থাকাটাই অর্থহীন হয়ে ওঠে।
অন্ধকারের গল্প
যখন তোমায় সময়- অসময়ে একটু কথা বলা বা একটু হাসি শুনার জন্য বারবার অাবদার করতাম তখন বিরক্ত ভরাস্বরে ছেলেমানুষি করছি বলতে। কই এখন তো তুমি দূরে, কিন্তু আমার প্রতিটা সময় তোমাকে নিয়ে ভাবে। সময়ের বিশালতা তোমার ভাবনায় শূন্যে মিলায়। শুধু নানা অজুহাতে তোমাকে বিরক্ত করা হয় না। তাই তুমি বুঝতেও পার না।
সত্যিকার অর্থে কি, এটাই হল ভালবাসা। তুমি নেই জেনেও তোমাকে নিয়ে ভেবে চলা, একা একা মনের কথা বলা। তোমার অনুপস্থিতেও তোমার পাশে চলা। তুমি চাইলেও তোমার দূরে যাওয়া হবে না। কারণ, তোমার তো অজানা নয়, অামি ঈশ্বর চাইনি, চেয়েছিলাম তোমাকে।
মু সমাচার | ০১
সকালে ফোন পেয়ে বিছানা ছারলাম। এক ঘন্টা দাড় করিয়ে রেখে অবশেষ আসলেন। পোড়ামুখি আজ শাড়ি পরেছে। অসম্ভব সুন্দরী লাগছিল।
এখন পর্যন্ত যতবার পরী ভেবেছি, তার সাথে কোন্ মিল খুজে পাচ্ছিলাম না পুড়ামুখির। নেই ডানা, পরেনি ধবধবে সাদা
বসন। তারপরেও অদ্ভুদ সুন্দর লাগছিল। একে তো ছিপছিপে গড়ন। চড়ুই পাখির মতো যায় যায় অবস্থায় সাজের কি ঢং।
কচুপাতা রঙের শাড়ি, হাতে শাড়ি রঙের সাথে মিল করে কাচের চুড়ি, কপালে কালো টিপ, কানে সবুজ দোল। চুল
গুলো পরিপাটি করে গুছানো। পোড়ামুখি তো জানে সবুজ রঙ্গে আমার জ্বলন বেশি।
আমকে জ্বালানোর জন্যই এই সাজ। মনে মনে টিক করলাম আমিও কম কিসে, পোড়ামুখি কে আমিও দেব।
কাছে আসুক বলে দেব, দেখতে পেতনির মতও লাগছে। কাছে এসেই গেজদেখনো নিষ্পাপ হাসি দিয়ে জানতে চাইল কি
খাবো। আমার বুকে হাহাকার তুলে মুখটা বন্ধ করে দিলো। শুধু ভাব্ নিলাম যেনো পোড়ামুখি কে পেতনির মতো দেখতে। পুড়ামুখির শান্তচোখের দিকে তাকিয়ে
পারলাম না বলতে পোড়ামুখি তোকে পরীর চেয়ে সুন্দর লাগছে।
মু সমাচার | ০২
পার্কের এক কোণে শিমুল গাছের নিচে আমি আর মু বসলাম। সামনের পুকুরটিতে রাজঁহাসের জলখেলা মুগ্ধ হয়ে দেখছে মু ।
আমি তাকিয়ে আছি অসহ্য রকমের সুন্দর মানবীর দিকে। শিমুল ফুলের মত লজ্বায় রাঙা হয়ে আছে সে। কিছু বলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে মনে হয়। কি এমণ কথা যা বলার আগেই রাঙা হয়ে উঠছে। বসন্তের মাতাল করা বাতাস মু এর মাথার বাম পাশের চুলগুলো মুখটাকে আড়াল করে আমাকে রূপের আগুণে ঝলসে যাওয়া থেকে রক্ষা করছিল। মু বসন্ত বাতাসের এই অনাধিকার চর্চার প্রতিবাদে চুলগুলো ঠিক করছিল। এই সুবাধেই মু এর নড়াচড়া।
নয়তো কোন দেবী মূর্তির পাশে নিজেকে পূজারী মনে হচ্ছিল।
অবুঝ শিশু যেমন বায়না ধরে কোন কিছু পাওয়ার পর সমস্ত চোখে মুখে খুশি খুশি ভাব থাকে তেমনি মু এর চোখে মুখে খুশি ঠিকরে পরছে। খুশির কারণটা বুঝতে না পারলেও পোড়ামুখির মুখের অব্যাক্ত আনন্দ ধারা চারপাশটাকে সবুজ করে তুলেছিল। যেন স্বর্গ সুখ আভির্বাবের পূর্ব মুহুর্ত।
মু আইসক্রিম খেতে খুব পছন্দ করে। তাই আইসক্রিম আনার জন্য উঠলাম । তখনি মু আমার হাতটা আলতো করে ধরল। বুঝতে পারলাম পাশ থেকে যেতে দিবে না। নরম হাতের বাঁধন ছেড়ার ক্ষমতাও আমার ছিল না। নিজেকে সেই আনন্দ ধারার অভিসিক্ত যুবরাজ ভেবে বসে পরলাম মু এর পাশে। মনে মনে প্রার্থণা করলাম আমৃতু্ইয় যেন এই বাঁধন ছেড়ার ক্ষমতা আমার না থাকে।
Sleepy Time Tom - Full Episode
হায়রে জীবন .................ঘুমে ধরলেও শান্তি নাই । জীবনটা শেষ। টম ভাগ ভাগ রে
-
যে কারো জন্য উপযুক্ত একটা উপহার খোঁজে পাওয়া সত্যিকার ভাবেই গুরুত্ত্বপূর্ণ কাজ। আর সেটা যদি অফিসের বস হয় তাহলে সেটা নিখুঁত এবং ইম্প্রেসিভ হ...
-
সর্বকালের সেরা মোটিভেশনাল বই। আপনাদেরকে সাজেশন করছি যদি পারেন অবশই এই বইটা পরবেন। খুবই মোটিবেশনাল বই এটি।
-
মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালো, দোলে মন দোলে অকারণ হরষে। হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে রসের ধারা বরষে॥ তাহারে দেখি না যে দেখি না, শুধু মনে...