সকালে ফোন পেয়ে বিছানা ছারলাম। এক ঘন্টা দাড় করিয়ে রেখে অবশেষ আসলেন। পোড়ামুখি আজ শাড়ি পরেছে। অসম্ভব সুন্দরী লাগছিল।
এখন পর্যন্ত যতবার পরী ভেবেছি, তার সাথে কোন্ মিল খুজে পাচ্ছিলাম না পুড়ামুখির। নেই ডানা, পরেনি ধবধবে সাদা
বসন। তারপরেও অদ্ভুদ সুন্দর লাগছিল। একে তো ছিপছিপে গড়ন। চড়ুই পাখির মতো যায় যায় অবস্থায় সাজের কি ঢং।
কচুপাতা রঙের শাড়ি, হাতে শাড়ি রঙের সাথে মিল করে কাচের চুড়ি, কপালে কালো টিপ, কানে সবুজ দোল। চুল
গুলো পরিপাটি করে গুছানো। পোড়ামুখি তো জানে সবুজ রঙ্গে আমার জ্বলন বেশি।
আমকে জ্বালানোর জন্যই এই সাজ। মনে মনে টিক করলাম আমিও কম কিসে, পোড়ামুখি কে আমিও দেব।
কাছে আসুক বলে দেব, দেখতে পেতনির মতও লাগছে। কাছে এসেই গেজদেখনো নিষ্পাপ হাসি দিয়ে জানতে চাইল কি
খাবো। আমার বুকে হাহাকার তুলে মুখটা বন্ধ করে দিলো। শুধু ভাব্ নিলাম যেনো পোড়ামুখি কে পেতনির মতো দেখতে। পুড়ামুখির শান্তচোখের দিকে তাকিয়ে
পারলাম না বলতে পোড়ামুখি তোকে পরীর চেয়ে সুন্দর লাগছে।
ভাল লাগলো অনেক।
ReplyDelete