মাসের শেষে পকেট খালি। পকেট খালি হওয়ার সাথে কি চিন্তার একটা সম্পর্ক থাকে।
থাকে অবশ্যই, মাসের শুরুর দিকে কেমন জানি বর্তমান বলিউডের আইটেম গানের মত দিন গুলো কালারফুল লাগে। কিন্তু মাসের শেষের দিন গুলো ৭০ দশকের সাদাকালো সিনেমা লাগে। শুরু হয় উল্টা পাল্টা ভাবনা। পরের মাসের বেতন পেলে কি কি করবো তা হিসাব। এই ভাবেই দিন যায়। বেতন পাওয়ার আগেই টাকা শেষ করা তাড়াহুড়া লেগে যায় আমার। অনেক মোটিভেশনাল বই পরছি। কিন্তু কোন কাজ দেয়া না আমার ক্ষেত্রে। আমার আব্বাজানেরও একই প্রবলেম ছিল। তাই তিনিও আজ খারাপ অবস্থায়। তার সেইম অবস্থা কি আমারও হবে এই চিন্তায় আমার মাসের শেষ দিনগুলো কাটে। কোন ভাবেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি না। কি ভাবে যেন খরচ হয় যায় টাকা। আমি বুঝি না টাকা কি আমারে পেছন থেকে খোঁচা মারে কি না। বাস্তবে তো খোঁচা খাওয়ার কোন বোধ পাই না। কিন্তু পরে বুঝি। এই ভাবে করে আমার দিন যাবে না তাও বুঝি। তারপরেও কেন যে নিজেকে কম খরচের মাঝে আটকে রাখতে পারি না।
আমি মাঝে মাঝে কেমন জানি উদাস হয়ে যাই। ছোট মানে শুরুর দিকে খুব বেশি হিমু সিরিয়াল বইগুলা পড়তাম। তার প্রভাব কি এখন পরতাছে আমার মাঝে। কিসের কি কোন এক্সট্রা কিছু না। শুধু উদাসিতা। মিরাকল জাতীয় কিছু ঘটলে হয়তো ভাল লাগতো কিন্তু তা তো হয় না। যা হয় বলার মত না। তাও মন মানতে নারাজ যে কাজ করতে হবে, ভাল কাজ, একটাইপ মানুষ আছে না, আর্টিফিশিয়াল ভাবে তেল মারে, আর নিজের আখের ঘুচাতে ব্যাস্ত থাকে সে টাইপ হয়ে চলতে হবে তাইলে আর কোন কাজে আটকা পরতে হবে না। কিন্তু আমি সেটা একেব্বারে পারি না। আমি বলি কি, শুকবা আদর দেখিয়ে তো লাভ নাই। কিন্তু কর্পোরেট লাইফে সেই শুকনা আদর দেখিয়ে মানুষ স্মার্ট হয়ে যাচ্ছে। আর আমি শুধু নিজের ঘোড়ামু নিয়া বসে আছি।
এই টাইপ কথা বার্তা বললে আরও অনেক লিখা যাবে। আজ আর না, আর একটু মন্দিরে ডু মারতে হবে। তাই আজ থাক...পরে আরেক দিন লেবু চিপিয়ে তিতা কিরা যাবে।
No comments:
Post a Comment